চটির হিলে সোনার বিস্কিট লুকিয়ে রেখে ধরা পরে গেলেন আফ্রিকান নাগরিক
আগের থেকেই খবর ছিল যে ওই বিমানে চোরা চালান হচ্ছে। বিমানবন্দরে রক্ষিরা ছিলেন প্রস্তুত। বিমানবন্দর মানেই কড়া নিরাপত্তা, প্রতিটি যাত্রী ও তাঁদের ব্যাগপত্রের ওপর তীক্ষ্ণ নজর। তবুও চোরাচালানকারীরা প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পন্থা খুঁজে বের করে ফাঁক গলে পালাতে চায়। তবে একটুখানি অস্বাভাবিকতা—হয় হাঁটার ভঙ্গি, নয়ত মুখভঙ্গি—তাতেই তাদের চালাকি ধরা পড়ে যায়। সম্প্রতি মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমনই এক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে একজন বিদেশি নাগরিক চটি পরে এমনভাবে হাঁটছিলেন যে, তৎক্ষণাৎ সন্দেহ হয় অফিসারদের। তার পর যা উদ্ধার হল, তা দেখে রীতিমতো চমকে উঠলেন সকলে।
শনিবার এক চমকে দেওয়া ঘটনা ঘটেছে মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এক বিদেশি নাগরিক, যিনি স্বাভাবিকভাবেই চটি পরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন, তাঁকে দেখে সন্দেহ হয় আধিকারিকদের। তাঁর হাঁটার ধরনে যেন কিছু একটা অস্বাভাবিকতা ছিল। সেখান থেকেই শুরু হয় গোটা ঘটনা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগে থেকেই ওই যাত্রীর উপর নজর রাখা হচ্ছিল। বিমানবন্দরে পা দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। তাঁর হাঁটার ভঙ্গিতে অসঙ্গতি দেখে থামিয়ে দেওয়া হয়। প্রকৃতপক্ষে, ওই ব্যক্তি ছিলেন আফ্রিকার দেশ চাদের নাগরিক এবং তিনি অ্যাডিস আবাবা থেকে মুম্বই এসেছিলেন। তাঁকে থামিয়ে যখন তল্লাশি করা হয়, তখন সবার চোখ কপালে ওঠে—চটির হিলে লুকিয়ে রাখা ছিল সোনার বিস্কুট! অধিকারিকদের মতে, সোনা পাচার করতে গিয়ে অত্যন্ত ধূর্তভাবে চটির হিলে তা লুকিয়েছিল ওই বিদেশি। উদ্দেশ্য ছিল, কাস্টমস চেকিং এড়িয়ে চলে যাওয়া। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।
Comments
Post a Comment