বন্যপ্রাণ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ তমলুক বন দপ্তরের

    



         বন্যপ্রাণ রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ তমলুক বন দপ্তরের 


  পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় বনভূমির পরিমাণ অনেকটাই কম। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় প্রায় ৮৩৯ বর্গ কিলোমিটার বনভূমি রয়েছে। অবিভক্ত মেদিনীপুর জেলায় ফল হারিনী কালিপুজোর সময় শিকার উৎসবের চল আছে। ২৬ মে সোমবার রাতে ফল হারিনী কালীপুজো। এই কালীপুজোর আগে থেকে এবং কালীপুজোর পরের দিনও চলে শিকার পর্ব। এই শিকার উৎসবে বন্যপ্রাণ বাঁচাতে তৎপর পূর্ব মেদিনীপুর জেলা বন বিভাগ। ড্রোন উড়িয়ে বন্যপ্রাণ বাঁচাতে তৎপর হয়েছে বন বিভাগ। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় স্বাভাবিক বনাঞ্চল না থাকলেও প্রচুর পরিমাণে বন্যপ্রাণ রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য প্রাণী মেছো বিড়াল, গোসাপ, কচ্ছপ সহ বিভিন্ন প্রজাতির সাপ লক্ষ্য করা যায় পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ঝোপঝাড় যুক্ত জলাশয় গুলিতে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়।


  শিকার উৎসবে মূলত এইসব পশুপাখি শিকার করে একশ্রেণীর আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া থেকে মূলত ট্রেনে করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় শিকারিরা প্রবেশ করে শিকার উৎসবের দিনগুলিতে শিকার করার জন্য। শিকার উৎসবে বন্যপ্রাণী শিকার রুখে দিতে গোটা পাঁশকুড়া সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অন্যতম স্টেশন মেচেদা, কোলাঘাট, ক্ষীরাই, হাউর এলাকাগুলিতে পূর্ব মেদিনীপুর বন দফতরের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাদের সঙ্গে নিয়ে এলাকার মানুষদের মধ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির অভিযান শুরু হয়েছে অনেক আগেই। এ বছর সেই শিকারের সংখ্যা অনেকটাই কমে গেছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Comments

Popular posts from this blog

পায়রাডাঙ্গায় চিত্র প্রদর্শনী

বালির নামকরণের ইতিহাস

বছরের প্রতিটি দিনই হোক পরিবেশ দিবস