মানিকবাবুর নস্ট্যালজিয়া উসকে দিল ‘সোনার কেল্লায় যকের ধন'


 

মানিকবাবুর নস্ট্যালজিয়া উসকে দিল ‘সোনার কেল্লায় যকের ধন' 


  ‘যকের ধন’ সিরিজের তিন নম্বর ছবি ‘সোনার কেল্লায় যকের ধন’। গল্পের শুরুতেই বাংলা সিনেমার আইকনিক ছবি ‘সোনার কেল্লা’ ও তার স্রষ্টার মানিকবাবুর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য জানিয়েছেন নির্মাতারা। পরিচালক সায়ন্তন ঘোষাল ও প্রযোজক সুরিন্দর ফিল্মস অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে পুরো জয়সলমের ও সোনার কেল্লার প্রেক্ষাপটে এই ছবি তৈরি করেছেন। এবং ওই ছবির জাতিস্মর শিশু মুকুলকে চিত্রনাট্যকার সপ্তস্ব বসু তরুণ (সুপ্রভাত) চেহারায় ফিরিয়ে এনেছেন। 


  বাকি গল্প অবশ্যই একেবারে আলাদা। তবে সত্যজিতের প্যারাসাইকোলজিকাল ব্যাপারটাও বেশ নাটকীয়তার মোড়কে শেষ পর্যন্ত বজায় রাখা হয়েছে ছবিতে। গোয়েন্দা কিংবা সত্যান্বেষীর চেহারায় দেখা গেল বিমল (পরমব্রত), তাঁর বান্ধবী তথা মনস্তাত্ত্বিক ডাক্তার রুবি (কোয়েল) এবং তাঁদের সহযোগী কুমারকে (গৌরব)। অনুপস্থিত শুধু হেমাঙ্গ হাজরা। কিন্তু সেই জায়গাটা পুষিয়ে দিয়েছেন সুনীল ভার্গব (সাহেব) এবং কাঠপুতলিবাবা (মাসুদ আখতার)। কলকাতাবাসী তরুণ বই ব্যবসায়ী মুকুল আলপনা আঁকা ও বিচিত্র সংকেত-সহ রহস্যজনক চিঠি পায়। তাঁর মনের মধ্যে আগে থেকেই পূর্বজন্মের কিছু ধূসর স্মৃতি আনাগোনা করত। গল্পে দেখানো হয় তাঁর বইয়ের দোকানটি কে বা কারা যেন পুড়িয়ে দেয় এবং তাঁকে গুম করারও চেষ্টা করে। মুকুলও আবছা-আবছাভাবে পূর্বজন্মে সোনার কেল্লায় বসবাসের স্মৃতি আওড়াতে থাকে।

Comments

Popular posts from this blog

পায়রাডাঙ্গায় চিত্র প্রদর্শনী

বালির নামকরণের ইতিহাস

বছরের প্রতিটি দিনই হোক পরিবেশ দিবস