মৌমাছির হানায় নাস্তানাবুত আধিকারিকরা
মৌমাছির হানায় নাস্তানাবুত আধিকারিকরা
পাকিস্তানের সীমান্ত লাগোয়া রাজস্থানে চলছিল মকড্রিল। এখানে শত্রু হয়ে উপস্থিত হলো একদল মৌমাছি। শনিবার পাক সীমান্ত লাগোয়া রাজস্থানে যুদ্ধের মহড়া করা হচ্ছিল। আপৎকালীন পরিস্থিতি তৈরি হলে কী করতে হবে? সেই সমস্ত বিষয় শেখোনো হচ্ছিল সাধারণ নাগরিককে। এমন সময়ই লেগে গেল হুড়োহুড়ি। মৌমাছির কামড় থেকে বাঁচতে ছোটোছুটি শুরু করলেন সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। হঠাৎ দেখলে মনে হতেই পারে হয়তো সত্যি সত্যিই যুদ্ধ লেগে গিয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার রাজস্থানের জয়পুর শহরের ঝালাওয়ারের কালিসিন্ধি বাঁধে ড্রোন হামলা হলে কী করতে হবে, সেই নিয়ে মক ড্রিল করা হচ্ছিল।
একটি প্রতিকী ড্রোন হামলাও করা হয়। আর এতেই ভেঙে যায় মৌচাক। এরপরেই হামলা চালায় মৌমাছির দল। সেখানে উপস্থিত জেলাশাসক, এসপি-সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা প্রাণ বাঁচাতে ছুটোছুটি শুরু করে দেন। মৌমাছির হামলায় আক্রান্ত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে মক ড্রিল নিয়ে জয়পুরের জেলাসাসক ডঃ জিতেন্দ্র সোনি বলেন, “ছাদে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারের মহড়া করা হয়। লোকেরা ছাদে উঠে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছিলেন। ক্রেনের সাহায্যে তাঁদের নামিয়ে আনা হয়।” এই মক ড্রিলে এনসিসি ক্যাডেটরাও অংশগ্রহণ করেছিলেন। সিকারের কল্যাণ মেডিকেল কলেজে বিমান হামলার একটি মক ড্রিল করা হয়। এখানে চারটি বিস্ফোরণের অনুকরণ করা হয়।

Comments
Post a Comment