নৌকাবিহার করে আসুন কংসাবতী ড্যামে


 
নৌকাবিহার করে আসুন কংসাবতী ড্যামে 


  বর্ষা আসলেই ভিড় বাড়তে থাকে মুকুটমনিপুরে। এই সময় প্রকৃতি নিজেকে উজাড় করে দেয়। বাঁকুড়ার রানী মুকুটমণিপুরে এসেছেন আর নৌকাবিহারে যাবেন না, এটা হয় না। আর নৌকাবিহারে গেলে অবশ্যই চোখে পড়বে কাঠের নৌকাগুলি। বিশেষভাবে চোখে পড়বে নৌকাগুলির নাম। প্রত্যেকটি নৌকার রয়েছে আলাদা আলাদা নাম। এই নামগুলোই যেন বারবার ডেকে আনে পর্যটকদের। এবার নিম্নচাপে কংসাবতী ড্যামের জল বাড়বে কিছুটা। নীল জল প্রতিবছর মন টানে হাজার হাজার পর্যটকের। এই ড্যামকে কেন্দ্র করে জীবিকা চলে বহু নৌকাচালকের। যারা প্রতি বছর পর্যটকদের কংসাবতী ড্যামকে কেন্দ্র করে ডিয়ার পার্ক, দুই নদীর সঙ্গমস্থল এবং আরও সুন্দর সুন্দর ঘোরার জায়গাগুলি ঘুরিয়ে দেখান। 


  বৃষ্টির কারণে বেড়েছে কিছুটা জলস্তর। পর্যটকদের ভিড় বাড়ার আশা রয়েছে যথেষ্ট। নৌকাবিহার এলেই দেখতে পাবেন সারি সারি নৌকা, দাঁড় করানো রয়েছে ড্যামের ধারে। আর তাদের মাথায় লেখা রয়েছে নাম, যেমন সোনারতরী, অন্নপূর্ণা, প্রভুজি, কিরণমালা এবং আরও কত কি! এক নৌকাচালক জানান, “যে যার নিজের পছন্দমতো নাম রাখেন। তবে সেই নাম দেখে আকৃষ্ট হন পর্যটকেরা। প্রথমবার যে নামের নৌকায় উঠেছিলেন সেই নামের নৌকাকেই খোঁজেন দ্বিতীয়বার।”

Comments

Popular posts from this blog

পায়রাডাঙ্গায় চিত্র প্রদর্শনী

বালির নামকরণের ইতিহাস

বছরের প্রতিটি দিনই হোক পরিবেশ দিবস