আজ নদীয়ায় মমতা - প্রস্তুত হেলিপ্যাড



ম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নেমে পড়েছেন প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাজে। ২০২৬ এর ভোটকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী ঘুরে বেড়াচ্ছেন এক জেলা থেকে আরেক জেলা। কোচবিহারের পরেই আজ নদীয়া। নবান্ন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী নদীয়ায় ২টি সভা করবেন। একটা প্রশাসনিক ও অন্যটা রজনৈতিক। দুপুরে কৃষ্ণনগর পৌঁছে হেলিপ্যাডে প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠান, পরে রয়েছে তাঁর রাজনৈতিক সভা। এদিন সরকারি অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যে রাস্তা নির্মাণে মেগা-প্রকল্পের সূচনা করতে চলেছেন মমতা। গ্রামীণ ও শহরকেন্দ্রিক, সব মিলিয়ে ২০ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি রাস্তা তৈরি করবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের কোষাগার থেকে খরচ হতে চলেছে প্রায় ৮৪৮৭ কোটি টাকা। সম্প্রতি সড়ক পরিকাঠামোয় আরও জোর দিতে রাজ্যজুড়ে রাস্তা তৈরির কাজে সিলমোহর দিয়েছিল মন্ত্রিসভা। এর পরই ‘পথশ্রী’ ও ‘রাস্তাশ্রী’ প্রকল্পে রাস্তা নির্মাণে গতি আনতে একেবারে আলাদা করে টেন্ডার করার নয়া পোর্টালও খোলে রাজ্য। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই জোরকদমে কাজ শুরু করে দিল রাজ্য।



  নবান্ন সূত্রে খবর, পথশ্রী ও রাস্তাশ্রী প্রকল্পের চতুর্থ পর্বে ২০,৪৭৯টি রাস্তা হবে। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ হাজার ৩০ কিলোমিটার। এর মধ্যে সব চেয়ে বড় অংশ পঞ্চায়েত দপ্তরের অধীনে। অর্থাৎ গ্রামীণ ক্ষেত্রে ৯,১১৪টি রাস্তা গড়া হবে। সব মিলিয়ে রাস্তার দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১৫,০১১ কিলোমিটার। খরচ হবে প্রায় ৬,৯৮৭কোটি টাকা। এর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে শহরাঞ্চলের রাস্তা তৈরির কাজও। কেএমডিএ-এর অধীনে তৈরি হবে ১১,৩৬৫টি রাস্তা। দৈর্ঘ্যের হিসাবে প্রায় ৫,০১৯ কিলোমিটার। ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৫০০ কোটি টাকা। কাজ শুরু হয়ে যাবে জানুয়ারি মাস থেকে।

Comments

Popular posts from this blog

পায়রাডাঙ্গায় চিত্র প্রদর্শনী

বালির নামকরণের ইতিহাস

বছরের প্রতিটি দিনই হোক পরিবেশ দিবস